রাজ্যের রাজনীতিতে ফের উত্তেজনা। একদিকে সেনা ও পুলিশকে ঘিরে দ্বন্দ্ব, অন্যদিকে রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি মন্তব্য। বিজেপির নেতা দিলীপ ঘোষ এই পরিস্থিতি নিয়ে কড়া সমালোচনা করলেন।
🟢 দিলীপ ঘোষের বক্তব্য
- দিলীপের দাবি, বাংলায় এখন সচেতনভাবে দিল্লি-বিরোধী, কেন্দ্র-বিরোধী ভাবাবেগ তৈরি করা হচ্ছে।
- আগে কখনও বাংলায় ভাষা নিয়ে রাজনীতি হয়নি, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেটাও করছেন বলে অভিযোগ।
- সেনাকে নিয়ে তৃণমূলের আচরণ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
- তাঁর কথায়:
- “ভারতীয় সেনা আমাদের স্বাভিমানের প্রতীক, দেশের রক্ষক, আমাদের সম্মানের প্রতীক। তাদের সঙ্গে ঝগড়া মানে দেশবিরোধী মানসিকতা।”
- আরও প্রশ্ন তোলেন—
- “এভাবে চলতে থাকলে পশ্চিমবঙ্গ কি ভারত থেকে আলাদা হয়ে যাবে?”
🟢 আসল ঘটনা কী?
- সোমবার দুপুরে ধর্মতলায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে তৈরি তৃণমূলের মঞ্চ খুলে দিতে শুরু করে সেনা।
- অভিযোগ, সেনার জায়গায় সেই মঞ্চ অনুমতি ছাড়াই ৩১ অগস্টের পরেও বসানো ছিল।
- তাই সেনার তরফে মঞ্চ ভেঙে দেওয়া শুরু হয়।
- শাসক দল দাবি করে, এই মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল ভিনরাজ্যে শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদ জানাতে।

🟢 সেনা বনাম কলকাতা পুলিশের টানাপোড়েন
- ঘটনার পরদিনই নতুন বিতর্ক—
- কলকাতা পুলিশের অভিযোগ, সেনার একটি ট্রাক ট্র্যাফিক আইন ভঙ্গ করেছে।
- অভিযোগ অনুযায়ী, রাইটার্স বিল্ডিংয়ের কাছে ট্রাকটি নিয়ম ভেঙে হঠাৎ ডানদিকে ঘুরে যায়।
- সেই সময় পিছন দিক থেকে আসছিল কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মার গাড়ি।
- অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
- এরপর পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৮১ ধারায় মামলা রুজু করে সেনার চালকের বিরুদ্ধে।
- কলকাতা পুলিশের ডিসি (ট্র্যাফিক) শ্রীকান্ত জগন্নাথরাও বলেন,
- “নিয়ম মেনে গাড়ি চলাচল করানোই কলকাতা পুলিশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।”